বাব্বা, সোজা কথা
নয় ... গুনে গুনে চার অক্ষর।
এই মোলো যা, কি
ভাবলেন?
আরে মশাই “গণতন্ত্র”
এর কথা বলছিলুম। আশ পাশ বলে ওঠে “শালা নিরক্ষর পাবলিক। বলার আগেই বুঝে যায়।” অ্যাঁ
যেটা বলছিলুম, গরু আমাগো জাতীয় প্রাণী। সো গরু খাওয়া বারন! (মরন!) সেকি “জাতীয়”!
বক্তা কি তবে ভাট আলিয় ?
সে যাই হোক, পশু
হোক বা প্রাণী, তোরা কি, বই-তে পড়িস নি? গোদুগ্ধ
মাতৃদুগ্ধের বিকল্প। যে বিকল্প মা তোকে দুধ খাইয়ে দামড়া করল আজ তার ই ন্যাজে টান
দিলি। কে হে তুই হরিদাস! পারলে দে দেখিনি দুটো কচি ঘাস। ছেলেবেলায় কার রচনা লিখে
পাশ করলি বেমালুম ভুলে গেলি? যখন তোর খাতায় লাল কালি তে কেটে কেটে স্যারে-রা রক্তগঙ্গা
বানাত তখন কড়াইসুটির বিচির মতো মার্ক্স টা কে জোটাত শুনি? যত্তসব নেমকহারামের দল। তোর
ঐ লোলুপ নজর, মুরগি, পাঁঠায় দে। কথায় কথায় তো শুয়োর কে রিলেটিভ বানাতে ছাড়িস না। আর
খাওয়ার বেলায় ভ্রু কুঁচকে গেল? ওরে পাপীষ্ট, তোমারই প্রানের কেষ্টর বাহন কেডা?
কেষ্ট-র কেসটা একবারও ভেবে দেখলি নে। তোদের
যা পাপের কোয়ালিটি দেখছি তা তোদের জন্যে তো নরকে ফ্ল্যাট বানাতে হবে। ছোটগল্পে মহেশের
জন্যে তো বুক চাপড়ে কাঁদলি। এখন সে পিরিত কোথায় ? যেই বলেছি গরু খাওয়া বারন অমনি
গনতন্ত্রের পিঠে ফোস্কা, অসংবিধানিক! যত্তসব
কুচুটের দল।
আজ থেকে “গো”... মা
হইল আমাগো, ...বন্ধুগন তালিয়া,
উৎসব আজি স্পনসর
করিবে শ্রীযুক্ত বিজয় মালিয়া।
কিন্তু স্যার
মুসলিমরা চেচাচ্ছে, কি খাবে তারা? ভেজ!
বুদ্ধিজীবী ভ্রু
কুঁচকে, গণতন্ত্রের সাবতেজ।
ফেসবুকে নাকি
নিন্দার ঝড় উঠেছে, বিতর্কিত পোস্ট। চাপ নিয়ো না।, ফেসবুকের পোস্ট অনেকটা আইসিসিইউ এর
রুগির মতন। মাত্র বাহাত্তর ঘন্টা টেকে। আর তারপর আলাদা মিটিং করে ডিম টোষ্ট দেব
সেঁকে। কিন্তু সেটাও যে প্রানী হত্যা। তদুপরি অ্যাঁবোশন। যদি বিরোধী পার্টি নেয়
কোনও অ্যাঁকশন। আরে ধুর ওটা তো একটা স্যাম্পেল। চল এবারে প্রনাম ঠোক...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন