বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪

Tour Bijan Bari Derjeeling

 তিন মাস অন্তর, আত্মাকে কুল ফিল দেওয়ার জন্য একটা ছোট্ট পাহাড় ট্রিপ ইজ ম্যান্ডেটরি। তারপর পেট ভর্তি মোমো আর বুক ভর্তি অক্সিজেন নিয়ে ব্যক টু কলকাতা। ভাবামাত্রই আইআরসিটিসি এর ওয়েবসাইট খুলে ঘটাঘট বেশ কয়েক খান এনজিপির টিকিট কেটে ফেললাম। কিন্তু যামু কৈ!

সবে মাত্র হলদিরামের অষ্টম সমুদ্র উবের শাটলে পেরোচ্ছি। স্পটিফাই তে অঞ্জন দত্ত "আমার শৈশবের দার্জিলিংটা" বলা মাত্রই ডেস্টিনেশন শর্টেড। একটা বয়স্ক লোকের একান্ত অনুরোধ ফেলতে পারলুম না। অগত্যা শিয়ালদহ থেকে রাত ১১.২০র পদাতিক এক্সপ্রেস (প্ল্যাটফর্ম ১২) ধরে বিজনবাড়ি তে দুই দিন থেকে অঞ্জন দত্ত থুড়ি দার্জিলিং হয়ে বন্দে ভারত ধরে হাওড়া স্টেশন।

NJP থেকে গাড়ি কিভাবে বুক করবেন ?
এখানে কোনো দালাল ধরে গাড়ি বুক করবেন না। ট্রেন থেকে নেমে সোজা প্রথমে কার পার্কিং এরিয়া তে যাবেন। পার্কিং এরিয়াতে "যাত্রী সাথী'র" স্টল আছে। পুলিশ আপনাকে গাড়ি নির্ধারিত মূল্যে পেতে সাহায্য করবে। অথবা সোজা "যাত্রী সাথী" অ্যাপ দিয়ে দেখে নিন আপনার গন্তব্যের অ্যাপ নির্ধারিত ভাড়া কত। এবার সামনে যাকেই পাবেন তাকেই সটান ওই নির্ধারিত ভাড়ার কথা বলুন। দালাল সোজা ফিল্টার্ড আউট হয়ে যাবে। কারণ?
আমার সুমোর ড্রাইভার আমায় চার হাজার টাকা নেবে বলেছিল। ভাড়া নির্ধারণের পর কার পার্কিং এ গিয়ে নিজের গাড়ি, আমার ফোন নম্বর দিয়ে যাত্রী সাথী দিয়ে বুক করালো। যাত্রী সাথী থেকে মেসেজ এলো ৩৫৬২ টাকা। ঠকার বউনি হল ৪৩৮ টাকা। প্রায় ৪ ঘণ্টা গাড়ি চেপে, স্ট্রেট এসে পৌছাব বিজন বাড়ি বাম্বু রিসোর্ট। কিন্তু হা হতস্মি! আসার পথে বিজনবাড়ী পেট্রোল পাম্পের সামনে ধস। ব্যাকগ্রাউন্ডে অসত মা সদগময়। ড্রাইভার দাদা কোনো মতে হাত ধরে সমস্ত লাগেজ ধস পার করে পেট্রোল পাম্প নিয়ে এল। কোনমতে স্থানীয় লোকজন হাতে হাত ধরে ধসে যাওয়া রাস্তা পার করে দিলেন।

বিজনবাড়ি -
বিজনবাড়ি বাম্বু রিসর্ট রুম নম্বর 3- বুকড। বলাবাহুল্য এই রিসর্ট এর একমাত্র এই রুম নম্বর ৩ থেকে নদী ওয়াক থু ডিসটেন্স। বাকি গুলো কোনোটা ইট, কোনোটা পাটকেল দূরত্ব। রিসর্টে রুম ১থেকে ৬ কটেজ আর ৭,৮ (একতলায়) ৯,১০ (দ্বিতল) সিমেন্টের দামড়া রুম, মার্বেল ফ্লোরিং। এখানে দুটো সুইমিং পুল আছে। কিন্তু পাহাড়ি জলের পুল। রোজ পরিষ্কার করা হয় না।এখানে চার বেলা থাকা খাওয়া নিয়ে দিনপ্রতি জনপ্রতি ১৭০০ টাকা। সরাসরি যোগাযোগ 8588827280 (পবিত্রা)

Tour at Haridwar Hrishikesh Mussoire Deheradun New Delhi Agra

 গতবছর পুজোয় গোটা পরিবার সহ হরিদ্বার মুসৌরী হয়ে দিল্লি - আগ্রা গেছিলাম। ট্রাভেল এজেন্ট শুরুতে বলেছিল, গঙ্গায় ডুব দিলেই পাপ ৫০% কমে যায় এই শুনে ইনস্পায়ার্ড হয়ে এক ডুব দেই। পরের দিন সকালে নিমোনিয়া স্টেজ ওয়ান। সন্দ্বীপ ঘোষের বাচ্চা *লা। পুরো প্ল্যান শুনবেন?


প্ল্যান ছিল,
হরিদ্বার (২ দিন) - হৃষিকেশ - মুসোরি (২ দিন) - দেহেরাদুন (১ দিন) - আগ্রা - নিউ দিল্লি (৩ দিন)

কথা মতন,
১৪ অক্টোবর সকাল ৫.৩০ তে হাওড়া থেকে পূর্বা এক্সপ্রেস ধরে নিউ দিল্লি এলাম। ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় (যথারীতি ২ ঘণ্টা ট্রেন লেট) দিল্লি নেমেই সোজা হরিদ্বার যাব, এটাই প্ল্যান। দিল্লির স্টেশনের বাইরে বেশ কয়েকটি গাড়ি কে বললুম হরিদ্বার যায়েগা। কিতনা লোগে? হিন্দি ভাষা মুহূর্তে শহীদ। ড্রাইভার দাদা বিড়বিড় করতে করতে আমার কিডনির দিকে ইশারা করলেন। আমি সমঝদার। মুহূর্তে আমি ইনড্রাইভারে একটা দামড়া কোয়ালিস বুক করলাম। পাক্কা ৪ ঘণ্টার জার্নি শেষে হরিদ্বার পোস্ট অফিস মোড়ে পৌঁছালাম। তখন ঘড়ির কাঁটায় বিকেল সাড়ে ৪ টে। এখান থেকে আমাদের হোটেল "সানসাইন", ১০মিনিট হাটা পথ। হোটেলে পৌঁছে ঘণ্টা তিনেক বিশ্রাম নিয়ে সোজা গঙ্গার দিকে হাটা লাগালাম। পাক্কা ৫মিনিট হেঁটে সামনেই গঙ্গা মাসী। সামনে এক দোকানদার কে শুধালাম- "হাম আরতি দেখেগা, কিধার সে আরতি হোগা।" অবাঙালি ভদ্রলোক গর্গ চট্টোপাধ্যায় মার্কা লুকসে ঘড়ির দিকে তাকালেন। মা গঙ্গার আরতি বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়, তাই সেদিন আর আরতি দেখার সৌভাগ্য হল না। সন্ধ্যে বেলা গঙ্গার ঘাটে বসে গাঢ় দুধের চা আর ঝালমুড়ি খেয়ে, অম্বল বাঁধিয়ে গঙ্গার পাড় বরাবর হাটা লাগালাম। গঙ্গার হাওয়ায় যদি পৈটিক হাওয়ার কিঞ্চিৎ কন্ট্রোল হয়।

গঙ্গার পারে হরেক রকম স্টাইলে ধর্ম বিক্রি হচ্ছে। কোথাও মাদুলি, পিতলের ঘটি, কোথাও প্রসাদ বা হরেক রকমের গেরুয়া কাপড়, এমনকি গঙ্গার জল পর্যন্ত। পথ মধ্যে দেখলাম, একজন ভিক্ষুক, মা গঙ্গা লেখা মাদুলি বিক্রি করছেন, "দাদা মাদুলি নিয়ে যান আর মা গঙ্গার কৃপায় আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখুন।" এদের আন্তরিকতা দেখলে আমি অবাক হয়ে যাই। নিজে ফুটপাথে শুয়ে আমাকে কোটিপতি বানাতে চাইছে। ওদিকে সপরিবারে প্যান ডি খেয়ে, রাত ১০টা নাগাদ সানরাইজ হোটেলের পাশেই এক বাঙালি দাদা বৌদির হোটেল খুঁজে পেলাম। মাত্র ৯০ টাকায় এখানে বাঙালি খাবারের থালি আর আন্তরিকতা পাওয়া যায়। ঘি, ভাত, ডাল, কালোজিরে দেওয়া আলুভাজা, পোস্ত, মাছের ঝোল ওয়ালা থালি স্বাদ মন্দ নয়।

পরের দিন সকালে ১৬ই অক্টোবর ১৪০০ টাকা দিয়ে একটা দামড়া অটো বুক করলাম (ফোন নম্বর 92591 65575)। গন্তব্য হরিদ্বারের স্থানীয় মন্দির এবং দর্শনীয় স্থান গুলি ঘুরে দেখা। তারপর বিকেল ৫টায় গঙ্গারতি। দিন সর্টেড। ঘুরতে ঘুরতে বিকেলে সাড়ে ৫টায় গঙ্গার পাড়ে এসে বসলাম। আরতি শুরু হবে। কয়েক লক্ষ লোক একযোগে মা গঙ্গা মা গঙ্গা করে চিৎকার করছে। এক সাধু ২ টাকা নিয়ে কপালে গঙ্গা টাইপ করে দিল। ২ টাকায় ২% পাপ কমল। ওদিকে গঙ্গার ঠান্ডা হাওয়ায় সাথে অজস্র ধূপধুনোর গন্ধ আর মাইকে মা গঙ্গার আরতি। মাইরি বলছি, এ পরিবেশ আলাদাই।

১৭ই অক্টোবর সকালে গাড়ি করে ঋষিকেশ এলাম। আগামী তিন দিন এনার গাড়িতেই সওয়ার হব। গাড়িতে মোট ৩ দিনের জন্য ঠিক হল ১৩ হাজার টাকা। ঋষিকেশ পৌঁছে রামঝুলা লক্ষনঝুলা ঝুলে ঝুলে পৌছালাম গীতা ভবন। এখানে সকাল ১১টার মধ্যে ৫০ টাকার কুপন কেটে দুপুর ১২ টা নাগাদ প্রসাদ গ্রহণ করা যায়। স্বাদ কেমন জানতে চাইবেন না। স্বাদকরক বন্ধক রেখে চোখ বুঝে খেয়ে নিলাম। গীতা ভবন থেকে বেরিয়ে সহস্রধারা এলাম। মোটকা একটা নর্দমা যাতে পরিষ্কার জল বয়ে যাচ্ছে তাতে একটা পরিষ্কার পাথরে নিজের পিছন সেটে খান দশেক ছবি তুলে ব্যাক টু কার। ঋষিকেশে অনেক রকম অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস রয়েছে। আপনি নদীতে রবার বোর্ট চালাতে পারবেন, গাছের ওপর ঝুলতে পারবেন, নদীর ওপর দড়িতে ঝুলতে পারবেন ইত্যাদি। ঋষিকেশ থেকে বেরিয়ে আমরা বিকেল ৫ টা নাগাদ পৌছালাম হোটেল বাসেরা, মুসৌরি। এই হোটেল টা খুবই সুন্দর। এখানে আপনি ওপেন ছাদে বসে পাহাড় দেখতে দেখতে ফুলকো লুচি তে কালোজিরা দেওয়া সাদা আলুর তরকারি খাবেন। বলাবাহুল্য হরিদ্বার টু মুসৌরি সম্পূর্ণ নিরামিষ। হরিদ্বারে তো ফুল ননভেজ আর মুসৌরীর মুরগির যা দাম ওই দামে বিরাটি তে পাঠা বিক্রি হয়।

১৮ অক্টোবর সকাল ১০টায় হোটেল বাসেরা থেকে বেরিয়ে প্রথমে এলাম কেম্পটি ফলস। বয়স্ক মানুষ, কোমরে পায়ে ব্যাথা থাকলে এই ফলস দেখতে যাবেন না। এটা দেখার জন্য ৪০০০ খানা সিঁড়ি ওঠানামা করতে হবে। মেন রোড থেকে নীচে প্রায় ২০০০ সিঁড়ি ঠেঙ্গিয়ে নীচে নেমে কেম্পটি ফলস পৌছালাম। পাহাড় থেকে নেমে আসা জলপ্রপাত একটা মাঝারি ডোবা তৈরি করেছে। বেশ সুন্দর পাহাড়ি অ্যাকোয়াটিকা টাইপ। এরপরের গন্তব্য কোম্পানি গার্ডেন বা হ্যাপী ভ্যালী। এটা পুরো রথের মেলা। হা হতস্মি। রথের মেলায় যে সকল খেলনা গাড়ি বাচ্চারা চড়ে বেড়ায় এখানে সেই গুলোই দামড়া বাচ্চারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরপর একটা দুটো মন্দির ঘুরে মল রোড এলুম। এখন থেকে রিক্সা করে লেখক রাসকিন বন্ডের বাড়ি দেখে আসতে পারবেন। মল রোডে প্রচুর খাওয়ার অপশন পাবেন। পেস্ট্রি গুলো অবশ্যই ট্রাই করবেন। দুর্দান্ত খেতে হয়। খান দুয়েক পেস্ট্রি সাঁটিয়ে হোটেলের দিকে হাটা লাগালাম। মল রোড থেকে আমাদের হোটেল মাত্র ৫মিনিট হাটা পথ।

১৯ শে অক্টোবর মুসৌরি থেকে বেরিয়ে দেরাদুন রওনা দিলাম। দেরাদুন যাওয়ার পথে প্রথমে দেখলাম দেরাদুনের বিখ্যাত চিড়িয়াখানা। টিকিট জনপ্রতি 50টাকা। সেখান থেকে বেরিয়ে পৌঁছালাম রবার্ট কেভ। এই জায়গাটা অভূতপূর্ব। বয়স্ক মানুষ, পায়ে সমস্যা না থাকলে অতি অবশ্যই এই রবার্ট কেভ ঘুরে আসবেন। খালি পায়ে অথবা দশ টাকা দিয়ে হাওয়াই চটি ভাড়া নিয়ে রবার্ট কেভে নেমে পড়ুন। এই কেভের প্রবেশ মূল্য জন প্রতি ২০ টাকা। পাহাড়ি একটা গুহা নিচ দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল মোডে বয়ে যাচ্ছে হিমশীতল জলধারা। তার মধ্যে দিয়ে আপনি ছপাত ছপাত করে হেঁটে এগিয়ে চলেছেন সামনের দিকে। রবার্ট কেভ থেকে বেরিয়ে গাড়ি ধরে সোজা আসলাম হোটেল গ্র্যান্ড লেগাসি। পরের দিন ভোর ৫টায় দেরাদুন থেকে নিউ দিল্লির ট্রেন। তাই দেরাদুনে এক রাতের জন্য এখানে ছিলাম।

রাতের খাবার খেয়েই ২০ অক্টোবর ভোর ৫টায় দেরাদুন স্টেশন থেকে ট্রেন ধরলাম নিউ দিল্লির উদ্দেশ্যে। সকাল ১১ টায় নিউ দিল্লি স্টেশন এলাম। পাহাড়গঞ্জের দিকে ১০মিনিট হেঁটে হোটেল গ্লো ইন নামে একটা হোটেলে উঠলাম। নিউ দিল্লির পাহাড়গঞ্জের ২০% সাধারণ মানুষ আর বাকি ৮০% দালালে ভর্তি। স্টেশনে টু হোটেল রাস্তার আনাচে কানাচে দালাল দাঁড়িয়ে। হাত পা ধরে আপনাকে ওর পছন্দের হোটেলে নিয়ে যাবে। ট্রেন থেকে নামার পর অতি কষ্টে দালাল সামলে হোটেলে এ
২১শে অক্টোবর সকাল ৭.২০ তে দ

২২শে অক্টোবর সকাল ৮টায় হোটেল থেকে বেরোলাম। উদ্দেশ্য দিল্লির লোকাল সাইটসিন যাব। ২৭০০ টাকায় একটা সুমো বুক করলাম। এবারে প্রশ্ন হল, দিল্লি তে কি কি দেখবেন? এর একটা ছোট্ট লিস্টি দিলাম। লাল কেল্লা, রাজ ঘাট, বিড়লা মিউজিয়াম, ইন্ডিয়া গেট, পার্লামেন্ট হাউস, কুতুব মিনার, ইন্ডিয়া গেট, ইন্দিরা গান্ধী মিউজিয়াম, রাষ্ট্রপতি ভবন, লোটাস টেম্পল, হুমায়ূন টম্ব, অক্ষর ধাম মন্দির, বাংলা সাহিব গুরুদ্বোয়ারা, লক্ষী নারায়ন মন্দির, যন্তর মন্তর, বীর ভূমি, জামা মসজিদ ইত্যাদি। কিন্তু লাল কেল্লা থেকে শুরু করে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত দেখতে পারলাম। একদিনে ঠিকঠাক করে এর বেশি দেখা সম্ভব হয়নি। রাতে ৯টায় দাদা বৌদি রেস্টুরেন্ট থেকে তন্দুরি রুটি আর চিকেন সাঁটিয়ে হোটেলে ফিরলাম।

২৩ শে অক্টোবর বিকেলে সাড়ে ৪ টেয় শিয়ালদহ রাজধানী। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই একটা ২৭০ টাকা দিয়ে অটো বুক করে চলে এলাম নিউ দিল্লি কালী মন্দির। এখানে পুজো দিয়ে এর ঠিক পাশেই হাঁটা পথে বিড়লা লক্ষী নারায়ন মন্দির। পুজো সেরে অটো নিয়ে হোটেল ফিরলাম। কিন্তু দিল্লি এলুম যে, লাড্ডু খেতে হবে তো? অগত্যা অনলাইনে লাড্ডু অর্ডার দিয়ে বাকি লাগেজ প্যাক করে সোজা দিল্লি স্টেশন। জার্নি খতম।

আনুমানিক খরচ - ১৯ হাজার টাকা দিন প্রতি
(৬ জনের গ্রুপে, ট্রাভেল এজেন্ট ব্যতীত)

হোটেল সান সাইন (হর কি পৌরি, হরিদ্বারের নিকট) ) (শুধু থাকার জন্য)
যোগাযোগ - 98971 29553
খরচ - টাকা 1800 রুম প্রতি দিন প্রতি

হোটেল বাসেরা (MVP প্ল্যান)
যোগাযোগ - 9837170142
খরচ - টাকা 3360 রুম প্রতি দিন প্রতি

হোটেল গ্লো ইন (নিউ দিল্লি)
(শুধু থাকার জন্য)
টাকা ২৮০০ রুম প্রতি দিন প্রতি

(নিউ দিল্লির পাহাড়গঞ্জ খতরনাক জায়গা। এখানে অগ্রিম টাকা দিয়ে হোটেল বুক করবেন না। খুব নামকরা হোটেল না হলে, এখানে এসে হোটেল দেখে রুম দেখে হোটেল বুক করবেন।)

সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৭

"সীমার মাঝে, অসীম, তুমি
বাজাও আপন সুর।"
সতিই তো সীমা দিয়েই ধরতে হয় অসীম কে। অস্বীকার কি করতে পারিস এটা। জ্ঞ্যান যোগের ন্যাজ ধরতে তোকে ভক্তি যোগের মধ্যে হাঁকুপাঁকু না খেলে হবে না। অনেকটা যোগ বিয়োগ শিখিতে যেমন যোগ চিহ্নের প্রতি ভক্তি দেখাতে হয় অনেকটা ঠিক সেই রকম। ব্যাপারটা অনেকটা অন্ধকার টানেলের মতন। টানেলের ওপর প্রান্তে আলোর ছোঁয়াচ পেতে নিজেকে অন্য প্রান্তে যেমনটা সঁপে দিতে হয়। ভক্তি তথা বিশ্বাস রেখে যে সত্যিই ওপর প্রান্তে নতুন কিছু পাওয়ার আশায়। কিন্তু সেই বিশ্বাসের সীমার মধ্যে দিয়েই যে জ্ঞ্যান অর্জন হয় তাতেই মেলে অসীমে মেলানোর ডাক। সেই অন্ধকার টানেলের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়ার জন্য যে শক্তির দরকার তা মেলে একমাত্র সঠিক এবং উপযুক্ত জ্ঞ্যানের মাধ্যমে। এনার্জি এখানে নলেজ। E=mc^2 সত্যি। একটি বস্তু আলোর গতিবেগে ছুটলে সেটি এনার্জি অর্থাৎ অসীম। অতএব নলেজের পক্ষেই সম্ভব সীমার মধ্যে থেকে অসীমকে কল্পনা করানো। কি করে সম্ভব এ গান লেখা যা Theory of Relativity কে মাত্র ৪টি শব্দে প্রকাশ করতে পারে? ঠাকুর টাইটেলে থাকা টা নেহাতই কাকতালীয় ধরে নিলাম। আজ শরীরে নয় , মগজে কাঁটা দিচ্ছে।
(প্রসঙ্গত উল্লেখ্যঃ লেখাটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা টানেলের মধ্যে অথবা টানেলের ওপর প্রান্তে পৌঁছে গেছেন। বাকিদের জন্যে ভক্তিযোগের শুভেচ্ছা ।)

শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৭

কথোপকথন


A
রাখেন মশাই, "হিউম্যানিটি"
এমন আঁতেল কিছু থাকে
ধুলাগড়, তসলিমার বেলা; ছিলেন কোথায় ?
গন্ধ যায়নি নাকে ??
B
কেমনে যাবে বলোতো ভায়া
ডিস্ক্রিমিনিশন। যে বড় শক্ত !
নুরুল মিয়াঁর হাত কাটিলেও,
পাই যে, বি-পজিটিভ রক্ত ।।
A
ওসব রাখুন, সেন্টূ গীতি,
রাম রহিমেের কেচ্ছায় ,
মাতৃসমা গো কাটিলে
দাঙ্গা বাধিবে স্বেচ্ছায় ।।
B
ধর্ম টা কি খুব প্রয়োজন,
বেসিক নিডের আগে
ঘামে আমার রক্ত জমে
মূল্যবোধের শরীরে লাগে ।।

(...)

রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৭

তারকাটা তর্ক

পর্ব ১


সাধারনে কাজ না পেলে খই ভাজে। আর আমি এবিপি আনন্দ দেখি। মনটা বিষাদে ভরে ওঠে। শ্রীজাত ত্রিশূলে শেষমেশ কন্ডম পরিয়ে ছাড়লে। আর কিছু আহ্মমক লাফিয়ে বেরচ্ছে মক্কা মদিনায় প্পড়াও দেখি কত দম। ত্রিশূলে পড়াও তোমার ন্যাজের সাইজ কত্ত হে? মনে হয় xxxL গোছের হবে একটা। মানে আমার গায়ে অ্যাঁ করেছ ওকে কিন্তু তোমায় সাম্যতা বজায় রেখে আমার ভাইয়ের গায়েও অ্যাঁ করতে হবে। তবে বুঝব খ্যামতা। কি বিপদ। কিছু হোমো সাপিয়েন্সের বাচ্চা আবার বালখিল্য আচরনে পটু। তাদের খুবই সরল প্রশ্ন। তসলিমা যখন ধর্মের ফাদে নাকানি চুবানি তখন কোথায় ছিল তোমার ছিচকাদুনি? রেফারেন্সে বাঙালী শাবকের জুরি মেলা ভার। ওরে ও তো কবি। সে কারো বিপদে চিৎকার করে গলা ফাটাবে নাকি। ওর হয়ে ওর কলম তো কবে থেকেই চেচাচ্ছে।অন্ধকার লেখাগুচ্ছ পড়িস নি। কই রে ... "এক মিনিতের" নিরাবতা পালন কেন হটাত। এক গাড়ল পাশ থেকে বলে উঠল। কন্ডম ই কেন। অশ্লীলতার গন্ধ পাছেন না এই বেলা। শিরদাঁড়া তাচ্ছিল্যে যে বাঙ্গালীর চোখে নায়াগ্রা তারাই কিনা প্রোটেকশনের এইরকম প্রতিশব্দে কুঞ্চিত ভ্রূ। ভাগ্যিস রবি দাদু প্রিকালচার্ড যুগের আগে দেহ রেখেছেন। নাহলে তার "দুই বিঘা জমি" -র জন্যে ২৮ ঘন্টায় জবাবদিহি করতে হত, "আপনার ঘরে কি মা বোন নেই নাকি আপনার বউ বঙ্গের নন !"

বুধবার, ২২ মার্চ, ২০১৭

গেরুয়া শপথ আমার বুকে.... মনসামঙ্গলে দেব FIR ঠুকে

রজস্বলার রক্তে মেখে অপবিত্র মন... 
মানুষ খুনের রক্তে সাজে মন্ত্রী সজ্জন... 
ধর্ম এঁটে বুকের পাটায়, 
বেনিয়মের ইচ্ছে চাটায়,   
দিব্যি আছে ধর্ম ভিরু কর্মনাশার দল... 
আগ্রিসিভ মম মৌলবাদে,
জুটল শেষে হাড়হাভাতে  
অন্যায় শেষে ঢাকিতে হলে  ধর্মই সম্বল !

ধর্ম তব পবিত্র হোক,
প্রাইমারি কি ঠিক করা হোক 
ধর্ম দিয়ে ফিল্টার হোক,    ...   সকল প্রকার ক্রাইম ।
রেসিস্ট কমেন্ট করব সবে,
ধ্রতরাস্ট্রে দেশ এগোবে,
যেমন খুশী সাজায় মোরা  ...  সাজিব জোগেশ মাইম ।

বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭

বদলা নয় ... কি জেনো চাই !!

স্বার্থ বিনা ঘুম ভাঙ্গে না,               লজ্জা তোলা সিন্দুকে
বলছে যে যা, বলছে বলুক,             থোরাই ডরাই নিন্দুকে
ইচ্ছে হলেই ধান্দাবাজির           পর্দা তুলে দেই উকি
ঘুষের কভু গন্ধ পেলে             গান্ধী দাদুর গা শুঁকি

মিডিয়া চেঁচায়, ঘোর অন্যায়        মিথ্যা সুখের আস্ফালন
স্বপ্ন ভাঙ্গার ব্যাথায় জাগে        বদলে ফেলার আলিঙ্গন !!