সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৭

"সীমার মাঝে, অসীম, তুমি
বাজাও আপন সুর।"
সতিই তো সীমা দিয়েই ধরতে হয় অসীম কে। অস্বীকার কি করতে পারিস এটা। জ্ঞ্যান যোগের ন্যাজ ধরতে তোকে ভক্তি যোগের মধ্যে হাঁকুপাঁকু না খেলে হবে না। অনেকটা যোগ বিয়োগ শিখিতে যেমন যোগ চিহ্নের প্রতি ভক্তি দেখাতে হয় অনেকটা ঠিক সেই রকম। ব্যাপারটা অনেকটা অন্ধকার টানেলের মতন। টানেলের ওপর প্রান্তে আলোর ছোঁয়াচ পেতে নিজেকে অন্য প্রান্তে যেমনটা সঁপে দিতে হয়। ভক্তি তথা বিশ্বাস রেখে যে সত্যিই ওপর প্রান্তে নতুন কিছু পাওয়ার আশায়। কিন্তু সেই বিশ্বাসের সীমার মধ্যে দিয়েই যে জ্ঞ্যান অর্জন হয় তাতেই মেলে অসীমে মেলানোর ডাক। সেই অন্ধকার টানেলের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়ার জন্য যে শক্তির দরকার তা মেলে একমাত্র সঠিক এবং উপযুক্ত জ্ঞ্যানের মাধ্যমে। এনার্জি এখানে নলেজ। E=mc^2 সত্যি। একটি বস্তু আলোর গতিবেগে ছুটলে সেটি এনার্জি অর্থাৎ অসীম। অতএব নলেজের পক্ষেই সম্ভব সীমার মধ্যে থেকে অসীমকে কল্পনা করানো। কি করে সম্ভব এ গান লেখা যা Theory of Relativity কে মাত্র ৪টি শব্দে প্রকাশ করতে পারে? ঠাকুর টাইটেলে থাকা টা নেহাতই কাকতালীয় ধরে নিলাম। আজ শরীরে নয় , মগজে কাঁটা দিচ্ছে।
(প্রসঙ্গত উল্লেখ্যঃ লেখাটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা টানেলের মধ্যে অথবা টানেলের ওপর প্রান্তে পৌঁছে গেছেন। বাকিদের জন্যে ভক্তিযোগের শুভেচ্ছা ।)

শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৭

কথোপকথন


A
রাখেন মশাই, "হিউম্যানিটি"
এমন আঁতেল কিছু থাকে
ধুলাগড়, তসলিমার বেলা; ছিলেন কোথায় ?
গন্ধ যায়নি নাকে ??
B
কেমনে যাবে বলোতো ভায়া
ডিস্ক্রিমিনিশন। যে বড় শক্ত !
নুরুল মিয়াঁর হাত কাটিলেও,
পাই যে, বি-পজিটিভ রক্ত ।।
A
ওসব রাখুন, সেন্টূ গীতি,
রাম রহিমেের কেচ্ছায় ,
মাতৃসমা গো কাটিলে
দাঙ্গা বাধিবে স্বেচ্ছায় ।।
B
ধর্ম টা কি খুব প্রয়োজন,
বেসিক নিডের আগে
ঘামে আমার রক্ত জমে
মূল্যবোধের শরীরে লাগে ।।

(...)

রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৭

তারকাটা তর্ক

পর্ব ১


সাধারনে কাজ না পেলে খই ভাজে। আর আমি এবিপি আনন্দ দেখি। মনটা বিষাদে ভরে ওঠে। শ্রীজাত ত্রিশূলে শেষমেশ কন্ডম পরিয়ে ছাড়লে। আর কিছু আহ্মমক লাফিয়ে বেরচ্ছে মক্কা মদিনায় প্পড়াও দেখি কত দম। ত্রিশূলে পড়াও তোমার ন্যাজের সাইজ কত্ত হে? মনে হয় xxxL গোছের হবে একটা। মানে আমার গায়ে অ্যাঁ করেছ ওকে কিন্তু তোমায় সাম্যতা বজায় রেখে আমার ভাইয়ের গায়েও অ্যাঁ করতে হবে। তবে বুঝব খ্যামতা। কি বিপদ। কিছু হোমো সাপিয়েন্সের বাচ্চা আবার বালখিল্য আচরনে পটু। তাদের খুবই সরল প্রশ্ন। তসলিমা যখন ধর্মের ফাদে নাকানি চুবানি তখন কোথায় ছিল তোমার ছিচকাদুনি? রেফারেন্সে বাঙালী শাবকের জুরি মেলা ভার। ওরে ও তো কবি। সে কারো বিপদে চিৎকার করে গলা ফাটাবে নাকি। ওর হয়ে ওর কলম তো কবে থেকেই চেচাচ্ছে।অন্ধকার লেখাগুচ্ছ পড়িস নি। কই রে ... "এক মিনিতের" নিরাবতা পালন কেন হটাত। এক গাড়ল পাশ থেকে বলে উঠল। কন্ডম ই কেন। অশ্লীলতার গন্ধ পাছেন না এই বেলা। শিরদাঁড়া তাচ্ছিল্যে যে বাঙ্গালীর চোখে নায়াগ্রা তারাই কিনা প্রোটেকশনের এইরকম প্রতিশব্দে কুঞ্চিত ভ্রূ। ভাগ্যিস রবি দাদু প্রিকালচার্ড যুগের আগে দেহ রেখেছেন। নাহলে তার "দুই বিঘা জমি" -র জন্যে ২৮ ঘন্টায় জবাবদিহি করতে হত, "আপনার ঘরে কি মা বোন নেই নাকি আপনার বউ বঙ্গের নন !"

বুধবার, ২২ মার্চ, ২০১৭

গেরুয়া শপথ আমার বুকে.... মনসামঙ্গলে দেব FIR ঠুকে

রজস্বলার রক্তে মেখে অপবিত্র মন... 
মানুষ খুনের রক্তে সাজে মন্ত্রী সজ্জন... 
ধর্ম এঁটে বুকের পাটায়, 
বেনিয়মের ইচ্ছে চাটায়,   
দিব্যি আছে ধর্ম ভিরু কর্মনাশার দল... 
আগ্রিসিভ মম মৌলবাদে,
জুটল শেষে হাড়হাভাতে  
অন্যায় শেষে ঢাকিতে হলে  ধর্মই সম্বল !

ধর্ম তব পবিত্র হোক,
প্রাইমারি কি ঠিক করা হোক 
ধর্ম দিয়ে ফিল্টার হোক,    ...   সকল প্রকার ক্রাইম ।
রেসিস্ট কমেন্ট করব সবে,
ধ্রতরাস্ট্রে দেশ এগোবে,
যেমন খুশী সাজায় মোরা  ...  সাজিব জোগেশ মাইম ।

বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭

বদলা নয় ... কি জেনো চাই !!

স্বার্থ বিনা ঘুম ভাঙ্গে না,               লজ্জা তোলা সিন্দুকে
বলছে যে যা, বলছে বলুক,             থোরাই ডরাই নিন্দুকে
ইচ্ছে হলেই ধান্দাবাজির           পর্দা তুলে দেই উকি
ঘুষের কভু গন্ধ পেলে             গান্ধী দাদুর গা শুঁকি

মিডিয়া চেঁচায়, ঘোর অন্যায়        মিথ্যা সুখের আস্ফালন
স্বপ্ন ভাঙ্গার ব্যাথায় জাগে        বদলে ফেলার আলিঙ্গন !!

নস্টালজিয়া

আমি একটি গৃহপালিত প্রানী ইয়ে মানে হস্টেল-পালিত নহে বাড়ি হতে ওয়াইফাই ডিস্টেঞ্চে টিউশন টু স্কুল সবই লোকাল উচ্চ মাধ্যমিক কোনোমতে উতরে যখন কলেজে ভর্তি হলাম মুখ থেকে নারায়ন দেবনাথীয় অনুভুতি বেড়িয়ে এলো- ওকৎ ! চারপাশে কত লোক সবাই ছুটছে কত ছেলে মেয়ে সেজে গুজে কলেজ ঢুকছে বেরুচ্ছে যথারীতি স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করা শুরু করলাম হস্টেলের ছেলেদের দেখে ুব ভালো লাগত কি সুন্দর সারাদিন ঘুরে বেরাচ্ছে পুরো প্রাচ্য টু পাশ্চাত্য ঘেঁটে ফেলছে সকালে মিষ্টি সুপুরি গুজে কলেজ ঢুকত তারপর সুন্দরী বান্ধবীর ব্যাগে প্রেমপত্র গুঁজত আর আমি ব্রেডবোর্ডে তার গুজতাম দিনের শেষে একগুচ্ছ তারের জঞ্জাল নিয়ে কবি সুকান্ত পোঁচে ল্যাবের ছাদের ছ্যাদা গুনতাম হস্টেলের বন্ধুরা স্মার্ট কয়েকজন কাঁটা তার দিয়েই লাভ সাইন, আংটি বানিয়ে সহপাঠীনির মনচুরি করত সে কায়দা রপ্ত করতে গিয়ে একবার ট্রান্সিস্টর পুড়িয়ে একসা যথারীতি কলেজীয় প্রেমের টিআরপি- পতন


আমার কলেজতুতো এক বন্ধু ছিল এমনিতে খুব ভালো ভীষণ বুদ্ধি রাখত বয়েসে আমার থেকে খানিক ছোট কিনতু বেড়েছে একেবারে চক্রবৃদ্ধি হারে ল্যাবে যত LED বাল্ব ছিল সব জড়ো কড়ে উজ্জ্বল হার্ট সাইন বানিয়ে একদিন আমাদের চমকে দিল উফফ সে কি জমকালো ব্যাপার ওদিকে সামনেই পরীক্ষা কিছুই পড়াশোনা হয়নি স্যারের পায়ের গোরায় নিতম্ব সেটে ষাট ওয়াটের বাল্বের মতন ডিপ্রেশন পোয়াচ্ছি স্যার সাজেশন প্লিজ! বলতেই স্যার এমন একটা এক্সপ্রেশন দিলেন যেন কিডনি ধার চেয়েছি ল্যাবে এক দাদা ছিলেন তিনিই যথা সময়ে বিশল্যকরণী হতেন বিকেল গড়াতেই পরিবেশবিদ্যার ক্লাস হত সারাদিন বিরক্তির পর এই ক্লাসটাই মরচে ধরা জীবনে অক্সিজেনের ঝাপটা মারত আর্টস, কমার্স সায়েন্স সব এই ক্লাসে এক হত মনীন্দ্র কলেজের আর্টস... উফফ পরিবেশ সম্পর্কে কতটা ওয়াকিবহল আমি শুধু সেই ক্লাসই জানত প্রথম প্রথম যে এই আনন্দ চেটেপুটে খেতে পারতুম তা নয় একদম আনপাট গাওয়ার সব মেয়ে কেই ভালো লাগত বন্ধু টাই প্রথম শেখালো, ঘাম আর ঘামাচি এক নয় প্রেম চুইয়ে পরে তোমার হৃদয়ের পিত্তি যতক্ষণ না গেলে দিচ্চে তুমি বাপু বেনী ভিজিয়ো না সব শুনে গাল পাতলুম, শুয়োর সোনা 
তবে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সে আছে তার সমস্ত বুলি প্রথম অধ্যায় শুরু হত আমায় আদ্যোপান্ত চেটে অতপর কি করনীয় সেইসব বলে একবার পরীক্ষা চলাকালীন টয়লেটে গেছি গন্ধের চটে অন্নপ্রাশনের পায়েসের টেস্ট পেলাম দূর থেকে কোনও মতে প্যারাবোলিক স্টেটমেন্টে কিডনি ক্লিয়ার করে বেরুতে যাব, মুর্তিমান হাজির বললে, “পরীক্ষা চলাকালীন চোখ মেরে দে এই সুযোগ ধরা পরলে বলবি, কাল রাতে ঘুমোস নি তাই চোখের পাতা ...সেদিনও চোখের যেকোনো একটি পাতার হাই শাটার স্পিড কেই যে চোখ মারা বলে জানতুম না বন্ধুর কথা শুনে কখনই উদ্যমী হয়ে কিছু করতে পারিনি কিন্তু এটুকু বুঝেছি প্রেম অনেকটা গালে হওয়া কচি ব্রনোর মতো কচি অবস্থায় পুতির মতন পুটুস পুটুস হলে হেভি ভালো লাগে