বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭

প্রেমের ঘনত্ত্ব

প্রেম অনেকটা শেয়ার বাজারের মতন যখন তখন প্রেমে পড়া যায় মাস্কাবারি টানাটানির মধ্যে এক টুকরো দমকা বাতাসের মতন তুই এলি প্রেমে আমি তখন হাপুচুপু স্বপনে জাগরনে ল্যাজ নাড়াচ্ছি কলমে উষ্ণতা মেপে প্রেমপত্র লিখছি আর কাটছি একটা গোটা খাতা আমার বাংলা সাহিত্যের ঠেলায় শহীদ আর নাহ! কাল তোকে বলেই দেব তারপর তোর হাতে আমার লেখা হাতচিঠি-টা গুঁজে দিয়ে এক দৌড়ে চলে যাব না প্রত্যুতর চাইনে তারা কিসের ? কালই তো একসাথে পড়া আছে আবার টেস্ট পেপারের খাপে আলতো করে সাইড করলাম চিঠি টা পড়ায় আজ মন-ই বসছেনা ধুত্তর ছুটি টা কখন যে হবে? ঘড়িটা চলার ও যেন কোনও গরজ নেই হটাৎ তোর মোবাইল ফোনটা  বেজে উঠল, আজ একা যেতে হবে মনটা রিনরিন করে উঠল উফফ, নীলাচল বাজার টু বিরাটি স্টেশন রঙ দে তু মোহে গেরুয়া এক বন্ধু কানে কানে বলে দিলো, প্রেমেও পেশাদারিত্ব থাকা দরকার ওর ব্যাগ টা সাইকেলের ক্যারিয়ারে নিস টুকটুক করে হাঁটছি নীরব প্রেম কে ইউক্লিদিয়ান ডিস্টেন্সে মাপছি আর ঘনঘন রাস্তার চারপাশে যাবতীয় বিজ্ঞাপন, রাস্তার কুকুরদের অবাক চোখে দেখছি যেন কত অচেনা, অজানা রাস্তায় চলেছিতোকে আর যেতে হবে না, থাক, ছেড়ে দে, একাই চলে যাবনা চল আমার তো সাইকেল আছেছোট্ট ছোট্ট পায়ে চলতে চলতে ঠিক পৌঁছে গেলাম চাঁদের পাহাড় নয় চাঁদের বাড়ির ঠিক সামনে পিছন ঘুরে তাকিয়ে একটা স্মাইলি সঙ্গে সাবধানে যাস বেদবাক্য মনটা ক্ষণিকের জন্যে সর্ষে ক্ষেত অমন নিশুতি রাতে, মা বাবা আর ইন্ডিয়ান রেল ছাড়া কেই বা আমার হ্যাপি জার্নি কামনা করত বল? তোর কমল মিত্রিয় বাপ একটু তীক্ষ্ণ নজরে আমায় মেপেছিল বটে, তবু সেই দিনটা আমার কাছে ২১শে জুলাই প্রেমে শহীদ তারপর থেকে অনেক দিন যোগাযোগ ছিল না প্রেমের ঘনত্ত্ব() কমে গিয়েছিল আমিও অভিমানী প্রেমিকের মতন নিজেকে গুছিয়ে রেখেছি মাঝে মাঝে তুই কেমন আছিস খবর নিলে, রিপ্লাই দেই, “অ্যাঁহুম

কোন মন্তব্য নেই: