চাক হতে চিক্য দুটোই খুব ইম্পর্টেণ্ট। খোলা ছাদে ব্যায়াম করিলে চলিবে না,
বলুন ইয়গা করছি। তবে না লোকে খাবে। এখনকার বাঙালী স্মার্ট। সে জানে সীমার মধ্যে
অসীম কে ঠুসে নিতে হবে। অনেকটা নিজের বউ এর মধ্যেই ক্যটেরিনা খোঁজার মতন। পাছায়
কাপড় নাই ওদিকে মোবাইলে ফিলিম ট্রেলর আছে। বুকে সাহস নাই কিন্তু ফেসবুকে
অ্যাকাউণ্ট আছে। তদুপরি বাঙ্গালী কাঁদিতে এবং কাঁদাইতে জানে। আর কি চাই মহায়।
যেথায় বাড়িবে টিআরপি সেথায় বাঙালী কেঁদে কেটে একসা। অনেকটা রামগরুড়ের ছানা টাইপ। একদল
প্রথমেই টিআরপি্র খনির সন্ধান পায়। এরা বুদ্ধিজিবির দল। আরেকদল এদিক অদিক না বুঝে
জলে ঝাঁপ দেয়। বেঁচে আছি তাই বাদাম চিবাই গোছের। এদের শুধু একটু ফ্রি আর কুপনে
মাখিয়ে ছেড়ে দাও। পাবলিক এমনিতেই হামলে পরবে। গাধাসোনা। দেশের ‘পটি’কুল পরিস্থিতিতে
এদের থেকে সুনামি এক্সপেক্ট করা বৃথা। দেশের দক্ষিনে জলে মরিল তিনশ। আর পূবে চা
বাগানে তো রোজই অনাহারে মরছে। যা সমবেদনা তা সব ফেসবুকের ট্রলে-ই টলমল খাচ্ছে – “এভাবে
মরার কোনও মানে হয় মশাই? নো গ্ল্যামার। মরতে হলে মরুন প্যারিসবাসীর মতন। উফফ। কি
মর্মান্তিক। অক্ষর গুলির গায়ে পর্যন্ত কাঁটা দিচ্ছে।”
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন