ধর্মের কল বাতাসে নড়ে... আর ধর্মঘটের ফল কল-ই-কাতায়। দিনভর আপামর জনতা
বনধে-র সফলতা যাচাই তেই মশগুল। আমিও শহিদ শহিদ গলায় আগের বনধে রাস্তায় বেরিয়ে এ
বনধে মন কে সান্তনা। আমি তো এমনি এমনি খাই সরি কামাই। বনধে-র সারাদিন এক ঘ্যান
ঘ্যেনে ইন্দ্রানী বোরা র ঘটনায় সাময়িক শান্তি তবু। কে কাকে টাকে ঢিল মারল আর সেটা
কার ব্রহ্মতালু ওপেন করল সেটাই তো উপজীব্য আজ। তবে ঢিল পরুক না পরুক খিল তো পড়লই।।
তবে গরীবের পেটে আর ধনীর দরজায়। কার কি লাভ হল জানি নে। তবে বাঙালী তো। যতক্ষণ না
তোমার হিসি আমার গায়ে চলকাচ্ছে ততক্ষণ প্রেস্টিজের গায়ে সুরভিত আন্টিসেপ্টিক
ক্রিম। পার্টি করে দেশের উন্নতি করা আর গঙ্গা জল কে পবিত্র বলার মধ্যে বিশেষ কোনও
ফারাক নেই। দুটোতেই অন্যকে জবাই করা ইজি। বুঝি তো সবই তবু বনধ টা সর্বাত্মক করতে
হবে বস... কেন? পার্টি ই তো পারে ন্যায়ের দাঁতের পাটি উপরে বুকের পাটাতে ভলিউম
বাড়াতে।
এরপর গোটা দুয়েক খবরের কাগজ আর আমাদের অবাধ্য কান সারাদিনের মুখের বুলি
প্রস্তুত করবে। সরেস, শান্ত গোবেচারা লোক পেয়েছে তো কি আহ্লাদ। যাহা বুঝেছ
অন্তকরনে তাহার স্প্রেড করি দাও জগতে। আরেক হয়েছে সুমন। মরলা কি সরপুঁটি ... সব
জানে ব্যাটা খুঁটিনাটি। সন্ধে হলেই গোটা কয়েক লোক জোগাড় করে বসে পরে বাঙ্গালীর
মনের আহারে ধুয়া দিতে। বাঙ্গালীর তো এখন অস্তিত্ব সঙ্কট। যেখানেই যাচ্ছে বাইনারি
সংখ্যার মতন বিপদ হাজির। লেডিস-জেন্টস লোকাল, হিন্দু –মুসলিম ধর্ম, বুদ্ধ-দিদি
সবেতেই দোটানা। এত সমস্যা তবু এরই মধ্যে বাঙালী পারে ভিড়ে থাসা ট্রেনে সহযাত্রীর
পিঠ কে ট্রেনের বাইরে ঝুলছে দেখেও তাসের পিঠ গুনতে। লোকাল সমস্যা এত যে বনধের সুকল
কুফল আর চোখে পরে না। তবু হানি-কারকেও তো হানি থাকে... তাই চোখের পানিতে জীবন বয়ে
যায়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন