সাত সকালে পরিপাটি সেজে ফুলুবাবূ সেজে যখন ষ্টেশনে যাই, লেডিজ লোকাল আমার
গালে আদুরে টোনা মেরে, কানের লতি ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। গুতিকয়েক মহিলা অলস ভাবে সিটে
বসে আড়মড়া ভাঙ্গে। আর ঠিক পরের ট্রেনেই আমরা তৈলঙ্গ স্বামী হয়ে দাড়িয়ে থাকি।
ফুলুবাবুর ফুল মাঝ পথেই ঝরে যায়। মুখ থেকে শ্লোক বেরিয়ে আসে ; হে ধরনী তুমি স্পেস
দাও... এন্ট্রি নেব। পাশের সহযাত্রী (অবশ্যই পুরুষ) বিবর্তনের
নিয়ম শোনায়; সারভাইভাল ফর দ্য ফিটেস্ট। ট্রেনে উঠতে না পারলে তুমি ফুটে যাবে,
সিম্পল। তখন ষ্টেশনে বসে এগ রোলের সাথে বিলোপ রোল করে খাও। ফেসবুকের বুক চাপড়ে-ও
কোন লাভ নেই। এখন শুধু মরা বোয়ালের মতন ই-বোর্ডের দিকে চেয়ে থাকা। কি বললেন... ?
রেল মন্ত্রী যদি একবার এই ট্রেনে উঠত বুঝতে পারত। আরে মশাই দেশের মাথা আর পাছা দুটি
ইকুয়াল করি দিলে চলিবে না।
যাহার ব্যবহার কম তাহা বিলুপ্ত হইবে –এত প্রাচীন কথা। বেশি তাবরে লাভ কি?
ডায়নেসর অবধি শিফট ডিলিট হয়ে গেল আর এ তো মামুলি ট্রেন। দিদিই আসল কাজের কাজ টা
করেছেন। এক ট্রেন দিয়ে বাঙালীর চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন হিন্দু মুসলিম এর
পরের হিট টপিক পিতৃ-মাতৃ ভুমি লোকালের বিবাদ। এজন্যেই দিদির পদধূলি আর মুখের বুলি
দুইই আমার কাছে সমান প্রিয়। কেমন সুন্দর হরিশ্চন্দ্র পোঁচে লেডিজ দের একটা গোটা
ট্রেন দিলেন...পিম্পল গালে সিম্পল কনসেপ্ট। কি বললেন আপনার বোন নেই ? তো কি বাকি
কারো না কারো তো আছে। এটুকু করতে না পারলে ভাইফোঁটা ও রাখীর দিন বোনের জন্য কেদে
ফাটাস কেন? শোন ভাই, বন্যেরা বনে সুন্দর ... লেডিজ- রা লেডিজ স্পেশালে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন